Tuesday, October 4, 2022
Homeঅন্যান্যসিবিআই কি | সিবিআই এর কাজ | সিবিআই প্রতিষ্ঠার ইতিহাস | সিবিআই...

সিবিআই কি | সিবিআই এর কাজ | সিবিআই প্রতিষ্ঠার ইতিহাস | সিবিআই দপ্তর

সিবিআই (CBI) সম্বন্ধীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

সিবিআই (CBI) সংক্রান্ত তথ্য | সিবিআই প্রতিষ্ঠার ইতিহাস, কাজ, দপ্তর

সিবিআই (CBI) সংক্রান্ত তথ্য
সিবিআই (CBI) সংক্রান্ত তথ্য

সুপ্রিয় বন্ধুরা,
যারা CBI সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা গঠনের জন্য ভালো একটি আর্টিকেলের অনুসন্ধান করছেন, তাদের জন্য আমাদের আজকের পোস্ট। এটিতে CBI সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথা বেসিক তথ্যগুলি আলোচনা করা আছে।

CBI এর ফুল ফর্ম কি, CBI কি, CBI এর কাজ কি, CBI প্রতিষ্ঠার ইতিহাস, CBI এর দপ্তর প্রভৃতি সাধারণ বিষয়গুলি সম্পর্ক আলোচনা করা আছে।

সম্প্রতি বিভিন্ন নিউজ পেপার বা খবরের চ্যানেলে বেশি বেশি করে সিবিআই কথাটি শোনা যাচ্ছে, তাই আমরা এই পোস্টটি শেয়ার করলাম, যার মাধ্যমে আপনারা সিবিআই সম্পর্কিত বেসিক তথ্য সম্পর্কে অবগত থাকবেন।

সিবিআই এর পুরো নাম কি

সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (Central Bureau of Investigation)।

সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন

সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন বা কেন্দ্রীয় অনুসন্ধান সংস্থা (CBI) ভারতের একটি গোয়েন্দা এবং নিরাপত্তা বিভাগীয় প্রধান তদন্তকারী সংস্থা। যা একযোগে দেশের প্রধানমন্ত্রী ফেডারেল আইন প্রয়োগকারী সংস্থা হিসেবেও কাজ করে। তবে এই সংস্থাটি দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের অধীনে অপরাধের তদন্তের জন্য সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশন ও লোকপালকে সহায়তা প্রদানে ন্যস্ত থাকে।এটি ভারতবর্ষের অধীনস্ত একটি সংস্থা। এই সংস্থার কর্মচারীরা পেনশন ও জনঅভিযোগ মন্ত্ৰণালয় কেন্দ্রীয় সরকারের অধীন। এই সংস্থা মূলত দেশের বহু অৰ্থনৈতিক অপরাধ, বিশেষ অপরাধ, দুৰ্নীতি ও উচ্চ পৰ্যায়ের অপরাধ অনুসন্ধানের জন্য বিখ্যাত। এই দপ্তরের বর্তমান সঞ্চালক প্রধান ঋষি কুমার শুক্লা।

সিবিআই প্রতিষ্ঠার ইতিহাস

সংস্থাটি গঠন সম্পর্কে জানতে গেলে ঐতিহাসিক দিকগুলো নজর দিতে হবে যেমন-

  • দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রাককালে ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ ভারতের যুদ্ধ বিভাগ ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তের জন্য এক বিশেষ পুলিশ প্রতিষ্ঠান (SPE) গঠন করেন। পরবর্তীতে
  • ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দে দিল্লি স্পেশাল পুলিশ এস্টেবলিশমেন্ট (DSPE) আইন প্রণয়নের মাধ্যমে ভারত সরকারের বিভিন্ন শাখার দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তের জন্য এটিকে ভারত সরকারের একটি সংস্থা হিসাবে আনুষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হয়। তবে এক্ষেত্রে বলে রাখা ভালো সিবিআই একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা নয় কিন্তু দিল্লী স্পেশাল পুলিশ এস্টেবলিশমেন্ট অ্যক্ট (১৯৪৬) থেকে তদন্ত করার অধিকার লাভ করেছে।
  • ১৯৬২-৬৪ তে সন্তানাম কমিশন সিবিআই প্রতিষ্ঠানের সুপারিশ করেছিল।
  • ১৯৬৩ খ্রিস্টাব্দে ভারতের প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত গুরুতর অপরাধ, উচ্চক্ষেত্রে দুর্নীতি, প্রতারণা ও আত্মসাৎ জালিয়াতি এবং সামাজিক অপরাধ বিশেষ করে মজুরদারী, কালোবাজারি ও মুনাফাখোর সংক্রান্ত গুরুতর অপরাধের তদন্তের রক্ষে ভারত সরকার সেন্ট্রাল ব্যুরো ইনফেস্টিগেশন সংস্থা (CBI) প্রতিষ্ঠা করেন। তবে সময়ের সাথে সাথে সিবিআই, খুন, অপহরণ, চরমপন্থীদের দ্বারা সংঘটিত অপরাধ মূলক মামলারও নিষ্পত্তি করেন।

সিবিআই তদন্তের অধীনস্ত মামলার প্রকৃতি বা সিবিআই এর কাজ

সিবিআই দেশের অভ্যন্তরীণ বৃহত্তর প্রায় সকল প্রকার অপরাধের তদন্ত করতে পারলেও বেশকিছু ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে তা হল-

1. অর্থনৈতিক অপরাধ

দেশের অভ্যন্তরীণ বড় আর্থিক কেলেঙ্কারী ও গুরুতর অর্থনৈতিক জালিয়াতির তদন্তের করে থাকেন।

2. দুর্নীতি বিরোধী অপরাধ

কোনো সরকারী কর্মকর্তা সরকার অনুমোদিত কোনো নেতা-মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে দূর্নীতি প্রতিরোধ আইনের অধীনে মামলার তদন্ত করে থাকেন।

3. সুওমোটা মামলা

সিবিআই ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে তদন্ত করতে পারেন।

4. বিশেষ অপরাধ

ভারতীয় দণ্ডবিধির অধীনে গুরুতর ও সংঘটিত অপরাধের তদন্তের জন্য রাজ্য সরকারের অনুরোধে হাইকোর্ট বা সুপ্রিমকোর্টের নির্দেশে আইন অমান্য মামলার তদন্ত করতে পারেন। যদিও সিবিআই প্রয়োজনে হাইকোর্ট-সুপ্রিমকোর্টের ও রাজ্যের সম্মতি ছাড়াই দেশের যে কোনো জায়গায় অপরাধের তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন।

এছাড়া কেন্দ্রীয় সরকার সংশ্লিষ্ঠ রাজ্যের সম্মতিতে একটি রাজ্যের অপরাধের তদন্তের অনুমোদন সিবিআইকে দিতে পারেন।

সিবিআই এর দপ্তর

সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন বা কেন্দ্রীয় অনুসন্ধান সংস্থা (CBI)সদর এর সদর দপ্তর বা প্রধান কার্যালয় দিল্লীর জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়াম মার্গতে অবস্থিত।

■ আরো পড়ুনঃ ED সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

RELATED ARTICLES

2 COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Recent posts

popular posts